তাড়াশে বিয়ের দাবিতে ৩ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে প্রেমিকা সাবানা

তাড়াশে বিয়ের দাবিতে ৩ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে প্রেমিকা সাবানা

তাড়াশ ডেস্কঃ



সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৩ দিন ধরে অনশন করছে প্রেমিকা সাবানা খাতুন। 

ঘটনাটি ঘটেছে তাড়াশ পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পৌর এলাকার খুটিগাছা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে ২ সন্তানের জনক আনোয়ার হোসেন কাউরাইল বাজারে দর্জির দোকানে কাজ করার সুবাদে একই গ্রামের হোসেন আলীর মেয়ে ২ সন্তানের জননী সাবানা খাতুন (৩২) সাথে ৫ বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে থেকেই বিয়ের প্রলোভনে আনোয়ার হোসেন সাবানার সাথে মধ্যে শারিরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পরে।

বিয়ের দাবীতে অবস্থানরত সাবানা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ৫ বছর যাবৎ আনোয়ার বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছে। বিয়ের কথা বলা সে পালিয়েছে। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে এই বাড়িতে আত্মহত্যা করব।

সাবানার ছোটভাই ফজলুল হক বলেন, প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার আমার বোন কাউরাইল বাজারে আনোয়ার হোসেনের দর্জির দোকানে কাজ করতে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত সে বাড়িতে ফিরে না আসায় আমরা তার খোঁজ করেতে থাকি পরে জানতে পারি আনোয়ারের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে সে অবস্থান করছে। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমার বোনকে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দিয়ে মারপিট ও নির্যাতন করছে। আনোয়ারে ছোটভাই আনিছ বারবার পুলিশের ভয় দেখাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আনোয়ার বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন আমার নামে গুমের অভিযোগ এনে তাড়াশ থানায় সাধারণ ডায়রী করেছেন।

আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সেলিনা খাতুন বলেন, আমার স্বামী ২দিন হলো নিখোঁজ, তাই থানায় অভিযোগ করেছি। ঘটনা সত্যি হলে আমরা বিয়ে দিতে রাজি আছি।

তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: বাবুল শেখ বলেন, ঘটনাটি মিমাংসার জন্য আমার ইউপি সদস্য শামসুল ইসলাম কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইউপি সদস্য শামসুল ইসলাম বলেন, আনোয়ার বাড়িতে না থাকায় পরিবারকে ২ দিন সময় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আনোয়ারকে উপস্থিত করে এর সমাধান করা হবে।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফজলে আশিক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।