পুলিশ কর্মকর্তা সেজে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্নসাৎ

পুলিশ কর্মকর্তা সেজে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্নসাৎ

​​​​​​এক্সপ্রেস ডেস্কঃ



পুলিশ কর্মকর্তা সেজে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা, এসএসসি পাস জিল্লুর পরিচয় দেন ঢাবি গ্র্যাজুয়েট। অবশেষে গোয়েন্দা জালে ধরা।

পরিচয় দেন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে। চলাফেরা করেন বাহিনীর পোশাক পরে। অথচ সবই ভুয়া। দীর্ঘদিন ধরে এই ছদ্ম পরিচয়ে বহুজনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। গোয়েন্দা জালে ধরা পড়ার পর বেরিয়ে আসছে জিল্লুর রহমান জেলিনের আসল চেহারা।

জিল্লুর রহমান জেলিন-মিথ্যার বেসাতি সাজিয়ে গড়েছেন নকল ভাবমূর্তি। এসএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করলেও সবাইকে বলেছেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ, এমবিএ।

নিজের পরিচয় দেন বিসিএস পুলিশ আটাশ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে। চলাফেরা করেন এডিশনাল এসপির র‌্যাঙ্ক লাগানো পোশাকে। ২০১৭ সালে প্রচার করেন এসপি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার খবর। যদিও আটাশ ব্যাচের কেউই এখনও এসপি হননি। এতোসব মিথ্যাকে ধারণ করে কাউকে চাকরি দেয়ার কথা বলে, কারও সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে কিংবা জরুরি ধার নেয়ার নাম করে বহুজনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়েছেন ভুয়া এসপি জেলিন।

জেলিনকে ধরার পর গোয়েন্দারা জানান, প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করতেই একের পর এক মিথ্যার মালা গেঁথে নিজের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি গড়েন তিনি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (সাইবার) যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, সে পুলিশে কর্মরত না হয়েও পুলিশের পোশাক, ব্যাজ এবং কিভাবে ট্রেনিং করানো হয় সেটার ম্যানুয়েল ক্রয় করে। এছাড়াও সে পুলিশের সার্ভিস টাইও সংগ্রহ করেছে। এ কাজগুলো করতে নিশ্চয় তাকে পুলিশের এগুলো সম্পর্কে জানে এমন কেউ সাহায্য করেছে। তাকে যারা যারা সাহায্য করেছে সবাইকেই আমরা আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি।

প্রতারণা ছাড়া জেলিন অন্য কোনও অপরাধে জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা পুলিশ।