বেলকুচিতে ভূমি অধিগ্রহনের অর্থ না পাওয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বেলকুচিতে ভূমি অধিগ্রহনের অর্থ না পাওয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বেলকুচি ডেস্কঃ



সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌর এলাকায় ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণের টাকা না পাওয়ায় বিক্ষোভ ও মমানববন্দন করেছে জমির মালিকরা। 

গত ১৯৮৩ সালে সরকার সোহাগপুর হাটের জন্য বেশকিছু পরিবারের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহন করে। কিন্তু এখনো অধিগ্রহনের জমির মূল্যে পায়নি মালিকরা। সেই অধিগ্রহন জমিতে অর্থ পরিশোধ না করেই বেলকুচি পৌরসভার উন্নয়নের জন্য ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট স্থাপন করছে পৌর কর্তৃপক্ষ। অধিগ্রহণকৃত সেই জমির ক্ষতিপূরণের দাবিতে শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলকুচি পৌর এলাকার মুকুন্দগাতীসস্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে মানববন্দন ও বিক্ষোভ করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা। 

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন চলাকালিন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল মমিন মন্ডল বিক্ষোভ কারীদের জমির মূল্যে পরিশোদের আশ্বাস্থ করে। এসময় বিক্ষোভ কারীরা শান্ত হয়ে চলে যায়। 

বেলকুচি পৌরসভা সূত্র জানা যায়, বেলকুচি পৌর উন্নয়ন ও বিশুদ্ধ পানি সরবারহের জন্য সাবেক মেয়র বেগম আশানূর বিশ্বাস ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেণ। সেই আবেদনের বিত্তিত্বে ওয়াটার প্লান ট্রিটমেন্ট স্থাপনের জন্য সরকার ৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। বর্তমান মেয়র মাননীয় এমপি মহাদয়কে দিয়ে গত ৩০ জুন ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট কাজের উদ্বোধন করেণ। 

ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকেরা বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের উন্নয়নের জন্য ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট স্থাপন করছে। কিন্তু ক্ষতিপূরণের টাকা আমরা এখনও বুঝে পাইনি। বুঝে পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে তাঁরা ধরনা দিচ্ছেন। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। কবে টাকা বুঝে পাবেন, তার কোনো সুনির্দিষ্ট জবাবও কেউ দিচ্ছে না। 

বেলকুচি পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজা বলেন, ১৯৮৩ সালে সরকার জমিগুলো অধিগ্রহণ করে। জমিগুলো গত ৮ বছর পূর্বে বেলকুচি পৌর কর্তৃপক্ষকে বুঝে দেয়। সেই জমিতেই আমরা ওয়াটার প্লান ট্রিটমেন্ট স্থাপন কাজের উদ্বোধন করি। এছাড়া চলতি বছরের জুন মাসের ৩০ তারিখ সেই অধিগ্রহনকৃত জমিতে ৫২ কোটি টাকা ব্যায় নির্ধারন করে ওয়াটার প্লাণ ট্রিটমেন্ট স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেণ আমাদের এমপি মহাদয়।