শাহজাদপুরে নিত্যপণ্যের উর্ধ্বমূল্যে দিশহারা সাধারন মানুষজন

শাহজাদপুরে নিত্যপণ্যের উর্ধ্বমূল্যে দিশহারা সাধারন মানুষজন

শামছুর রহমান শিশির (শাহজাদপুর)



শাহজাদপুরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। লকডাউনের সুযাগে ও আসন্ন রমজান উপলক্ষ করে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।

নতুন করে লকডাউনে উপজেলার অনেক পেশাজীবীরা আবারও বেকার হয়ে পড়েছে। একদিকে, আয় না থাকায় ও অন্যদিকে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষজন ও দিনমজুররা তাদের পরিবার পরিজনের ভরণ পোষন নিয়ে মহাভাবনায় পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজলার খেঁটে খাওয়া মেহনতী মানুষরা। নিয়মিত বাজার তদারকীর অভাব দিন দিন নিত্য প্রয়াজনীয় দ্রব্য মূল্য আকাশচুম্বী ধারণ করেছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

এলাকাবাসী জানায়, ৩/৪ দিন আগেও পেঁয়াজের কেজি ছিল ২৮ টাকা গতকাল তা বেড়ে ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫০ টাকার রসুন ৬০ টাকা। ৫০ টাকার আদা ৬০-৬৫ টাকা। ১৫ টাকার আলু ২০ টাকা। বেড়েছে ভোজ্য তেলের দামও। চাল প্রকারভেদে কেজিতে ২/৩ টাকা বেড়েছে। বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলও লিটারে বেড়েছে ৩/৪ টাকা। এছাড়াও কাঁচামালের দামও বাড়িয়েছে বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, ব্রয়লার সোনালী ও দেশি মুরগির দামও বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা। ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৭০-৩০০ ও দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ২০/৩০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংস। ছোলা ও চিনি কেজিতে ২/৩ টাকা বেড়ে যথাক্রমে ৬৫ টাকা ও ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলার অল্প আয়ের মানুষ। অনকেই মূল্য বৃদ্ধিতলতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও লকডাউনের কথা চিন্তা করে খরচ বেশি করে কেনাকাটা করছে। বাজার দর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।