সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের প্রাণহানি

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ জনের প্রাণহানি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, বেলকুচি ও সলঙ্গায় মাঠে ধান কাটার ও খড় শুকনোর সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ পাঁচজনের জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার বিকেলে ঝড় বৃষ্টির সময় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চরআঙ্গারু গ্রামের আমানত হোসেনের ছেলে জুয়েল রানা (২৬) ও নরিণা ইউনিয়নের বাতিয়া গ্রামের মৃত ভোলা পন্ডিতের ছেলে আলহাজ্ব পন্ডিত (৫০), উল্লাপাড়ার সলঙ্গা ইউনিয়নের আঙ্গারু বাঘমারা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৫), উধুনিয়া ইউনিয়নের আগদিঘর গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে ও উধুনিয়া মানিকজান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ফরিদুল ইসলাম (১৫) ও বেলকুচি উপজেলার চর সমেশপুর গ্রামের গৃহবধূ লাইলী বেগম (৪৫)।  

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম ও আলতাফ হোসেন জানান, বাড়ির পাশে কোনাবাড়ী মাঠে ধানকাটার সময় ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়।

এ সময় বজ্রপাতে জুয়েল রানা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অন্যদিকে বাতিয়া গ্রামের খড় শুকানোর সময় বজ্রপাতে আলহাজ্ব পন্ডিতের শরীর ঝলসে গিয়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

উধুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, মাঠে ধান কাটার সময় ঝড়-বৃষ্টি হয়। এ সময় ফরিদুল ধানকাটা বাদ দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় আগদিঘল কবরস্থানে পৌঁছলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফি কামাল জানান, দরিয়াল বিলে হাসের বাথান নিয়ে যায় ফরিদুল ইসলাম। বিকেলে ঝড়-বৃষ্টির সময় হাসের বাথান নিয়ে ফেরার সময় বজ্রপাতে মারা যায়।  

বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান জানান, চর সমেশপুর মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি আসার পথে বজ্রপাতে লাইল বেগম নামে এক গৃহবধূ মারা গেছে। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন