সিরাজগন্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন এর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মানববন্ধন

সিরাজগন্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন এর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মানববন্ধন

সিরাজগন্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন এর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 

১৯৬৪ সালে সিরাজগঞ্জ বিএ কলেজের ছাত্র লীগের নির্বাচিত জিএস সিরাজগঞ্জ জেলার মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। 

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চলা কালীন কুড়িগ্রামের রৌমারী মুক্তি যোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ১৯৭১ স্বাধীনতা পরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলা পূর্ণগঠনে মহকুমা প্রশাসক এসডিও। সিরাজগঞ্জের অন্যতম সংগঠক সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী ইসমাইল হোসেন  এসডিও ইসমাইল হোসেনের নাম স্বাধীনতার ৫০ বছরে সরকারি গেজেট ভুক্ত হয়নি। অনতিবিলম্বে তার নাম সরকারি গেজেটভুক্ত করার দাবিতে কালেক্টোরেট চ্বতরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন এর নাম অন্তভুক্ত না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বে করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান। 

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় কালেক্টরেট চ্বতরে সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ, সাবেক কমান্ডার বৃন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

এই সময় বক্তব্যে এ দাবি জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী ইসমাইল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবেদনে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সিরাজগঞ্জ থেকে বেশ কয়েকজন সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে রৌমারি যান। সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করেন এবং ক্যাম্প কমান্ডারের দায়িত্ব পালনকালে শতশত মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। নিজে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং দেশের মধ্যে প্রবেশ করে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সিরাজগঞ্জে এসে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন নিয়ে বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠিত করা ও যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার পরও তার নাম গেজেটভুক্ত করা হয়নি। স্বাধীনতার কয়েক বছর পর আমেরিকা চলে যান। আমেরিকায় বসবাস শুরু করলেও মাঝে মাঝে বাংলাদেশে এসেছেন। তার ধারণা ছিল তার নাম গেজেটভুক্ত হয়েছে। কিন্তু আজও গেজেটভুক্ত হয়নি। জীবন বাজি রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত ও যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার ঘটনা সিরাজগঞ্জের সকল মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ অবগত রয়েছেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও গেজেট নাম না থাকায় তিনি ব্যথিত ও হতাশ হয়েছেন। অবিলম্বে তার নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

এ সময় তার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান, সহ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট বিমল কুমার দাস,জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত-সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ তালুকদার, সাবেক তিনজন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী শফিকুল ইসলাম শফি, গাজী সোরহাব আলী সরকার, গাজী আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী সেখ, গাজী আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী জগলু প্রমূখ।

​​​​​​