হাটিকুমরুলে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহার করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

হাটিকুমরুলে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহার করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

এক্সপ্রেস ডেস্কঃ



সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের হাটিপাড়া গ্রামে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহার করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। 

হাটিকুমরুল হাটিপাড়া কবর স্থান হতে আব্দুল মতিন এর বাড়ী হইয়া সাহিত্য রত্ন কবি নজিবুর রহমান ইফতেদায়ী মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ইট-খোয়া-বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে। রাস্তায় এমন নিম্নমানের কাজ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও দেখছে না।

হাটিকুমরুল হাটিপাড়া কবর স্থান হতে আব্দুল মতিন এর বাড়ী হইয়া সাহিত্য রত্ন কবি নজিবুর রহমান ইফতেদায়ী মাদ্রাসা পর্যন্ত ৫০০ মিটার রাস্তা সংস্কার করার জন্য ৩৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় তানভীর ইমাম এমপি।

সরোজমিনে গিয়ে স্থানীয় ফসলু শেখ, আরিফুর ইসলাম, নুরুল ইসলাম, সোহেল রানা, ইব্রাহিম হোসেন, হাটিকুমরুল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মতিন এর সঙ্গে কথা বলে তারা বলেন, রাস্তার বিভিন্ন অংশে নিম্নমানের ইটের খোয়ার ওপর নোংরা প্রাইমকোর্ট ও তার উপর বালু দিয়ে কার্পেটিং করছে ঠিকাদার দেলোয়ার ও সাব এসিস্টেন্ট ইন্জিনিয়ার আবু বক্কার সিদ্দিক ।

২২ তারিখ রাতে রাস্তায় প্রাইমকোর্ট মেরে তার উপর রাতেই বালু দিয়ে শুকিয়ে শুরু করে রাস্তায় কার্পেটিং এর কাজ। 

কিন্তু ২৪ ঘন্টা না যেতেই ২৩ সকালে থেকে বিটুমিনের পরিমাণ কম ও ব্র্যাক লোন পাথর দেওয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে মাটি মাখা সাদা কুচি পাথর দিয়ে করছে কার্পেটিং পরে এলাকাবাসী কাজে বাধা দেয় ।

রাস্তায় এমন নিম্নমানের কাজ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও দেখছে না। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  

এ ব্যাপারে ৯নং হাটিকুমরুল ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান হেদায়েতুল আলম রেজা বলেন, ইঞ্জিনিয়ার রাস্তার কাজ করলেও অজ্ঞাত কারণে তারা দেখেও না দেখার ভান করছেন এটা ঠিক না।   

শুরু থেকেই স্থানীয় লোকজন কাজের মান নিয়ে আপত্তি করছেন। কিন্তু ঠিকাদারের লোকজন গ্রামের লোকজনকে হুমকি দেন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী তথা ইট, খোয়া ও পাথর ব্যবহার এবং যেনতেনভাবে কার্পেটিং, সঠিক পরিমাণ বিটুমিন ব্যবহার না করার কারণে রাস্তা নির্মিত হওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাবে।  

রাস্তা সংস্কারের দায়িত্বে থাকা উপজেলা সাব এসিস্টেন্ট ইন্জিনিয়ার আবু বক্কার সিদ্দিক বলেন, আই আর ডিপি প্রকল্পের কাজ রাস্তায় কাজে ভুল ত্রুটি থাকবেই এনিয়ে কিছু করার নেই। সবকিছু ঠিকঠাকভাবে হচ্ছে, স্হানীয় লোকজন মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলেছেন। কত টাকা ব্যায়ে সড়ক নির্মাণ হচ্ছে জানতে চাইলে আবু বক্কার বলেন আমি জানিনা সিডিউল দেখে বলতে হবে। 

ঠিকাদার দেলোওয়ার হোসেন এর কাছে কাছে জানতে চাইলে মুঠো ফোনে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই। 

উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আবু সাইদ এর কাছে রাস্তার অনিয়োম এর বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিটুমিন দেওয়ার ২৪ ঘন্টা পরে কার্পেটিং এর নিয়ম থাকলেও গাড়ি চলাচলের কারণে ঠিকাদার বালু ব্যবহার করে তার উপর  কার্পেটিং করেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেওয়ার বিষয় তিনি জানেনা বলে প্রতিবেদকের ফোন কেটে দেয়।