অসময়ে যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে বিলীন স্পার বাঁধের ১২২ মিটার

অসময়ে যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে বিলীন স্পার বাঁধের ১২২ মিটার

এক্সপ্রেস ডেস্কঃ



তীব্র স্রোতে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার বেতিল স্পার বাঁধ-১ এর ১২২ মিটার মাটির স্যাংঙ্ক যমুনায় বিলীন হয়েছে।

এতে হুমকির মুখে পড়েছে সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি কলেজ, মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আজগড়া সাবমেরিন ক্যাবল সাইডের সার্স লাইন, ফসলি জমি, বসতভিটাসহ বহু স্থাপনা।

এমন অবস্থায় জরুরিভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো গেছে। শিগগিরই সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে স্পারে ভাঙন শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাউবো উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।

বেলকুচির দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লাজুক বিশ্বাস জানান, তাঁত শিল্পসমৃদ্ধ বেলকুচি ও এনায়েতপুরকে যমুনার ভাঙন থেকে রক্ষায় ২০০০-২০০১ সালে বেতিল স্পার বাঁধ-১ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সাড়ে ৯০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বাঁধের মাটির স্যাংঙ্ক ৮০০ মিটার ও কনক্রিটের স্ট্রাকচার দেড়শ মিটার।

যমুনা নদীতে পানি কমতে শুরু করায় প্রচণ্ড স্রোতে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়, এতে শুক্রবার সকাল থেকে বাঁধের মূল স্ট্রাকচারের পশ্চিম পাশের ডান সাইডের মাটির স্যাংঙ্কের ১২২ মিটার বিলীন হয়ে যায় নদীতে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে আশপাশ থেকে বালু উত্তোলন ও মাটিবাহী ট্রাক চলাচলে বাঁধের চরম ক্ষতি হয়। যে কারণে পানির তোড়ে প্রায় প্রতি বছরই কোনো না কোনো স্থানে ধস বা ভাঙন দেখা দেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক বেড়ে গেছে।

এ বিষয়ে বাঁধের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিল্টন হোসেন বলেন, ‘যমুনায় পানি কমতে শুরু করায় প্রবল স্রেতের কারণে স্কাউয়ারিংয়ের ফলে বাঁধের ১২২ মিটার এলাকার মাটি সরে গেছে। বাঁধ সংস্কার কাজ চলছে, আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। আমরা অতিদ্রুত এই অংশে কাজ শেষ করব।’